ইউনেস্কোর হেরিটেজ স্বীকৃতি পেল গুজরাতের গরবা নাচ। একই স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশের রিকশা ও রিকশা চিত্র।

বতসোয়ানা প্রজাতন্ত্রে অনুষ্ঠিত ১৮তম ইউনেস্কোর হেরিটেজ কমিটির বৈঠকে নৃত্যের এই ফর্মটিকে হেরিটেজ লিস্টে যুক্ত করা হয়েছে।

গরবা নৃত্য গোটা ভারতে জনপ্রিয় হলেও এর সৃষ্টি ও প্রচলন বেশি গুজরাতে। এ বছর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই নাচের জন্য একটি গান লিখেছিলেন।

আরও পড়ুন : দেবীপক্ষের সূচনায় নরেন্দ্র মোদির লেখা গানে মাতলো ভারত

UNESCO ইনট্যাঞ্জিবল কালচারাল হেরিটেজ তালিকায় গারবার অন্তর্ভুক্তি গুজরাট এবং ভারতের জন্য সত্যিই একটি গর্বের মুহূর্ত। এটি ভারতের প্রাচীন সংস্কৃতিকে বিশ্ব প্রদত্ত একটি সম্মান।

UNESCO-এর ICH-এর তালিকায় ভারতের যে ১৪ টি শিল্পকলা ও উৎসব অন্তর্ভুক্ত আছে তা হল  – ১) রামলীলা, ২) যোগব্যায়াম, ৩) বৈদিক জপ, ৪) কুটিয়াত্তম, কেরালার সংস্কৃত থিয়েটার, ৫) গাড়োয়াল হিমালয়ের রামমন, ধর্মীয় উৎসব এবং আচার অনুষ্ঠান, ৬) কেরালার মুদিয়েত্তু, আচার থিয়েটার এবং নৃত্যনাট্য, ৭) রাজস্থানের কালবেলিয়া লোকগান ও নৃত্য, ৮) পূর্ব ভারতের ছৌ নৃত্য, ৯)  লাদাখের বৌদ্ধ জপ, ১০) মণিপুরের সংকীর্তন, আচার-অনুষ্ঠান গান, ঢোল ও নাচ, ১১) পাঞ্জাবে পাত্র তৈরির ঐতিহ্যবাহী পিতল ও তামার কারুকাজ, ১২) নওরোজ, ১৩) কুম্ভমেলা ও ১৪) কলকাতার দুর্গাপূজা ।

ইউনেস্কো বাংলাদেশের রিকশা এবং রিকশা চিত্রগুলিকে ইনট্যাঞ্জিবল কালচারাল হেরিটেজের হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ঢাকার ‘রিকশা ও রিকশা আঁকা চিত্র’ ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃত বাংলাদেশের পঞ্চম সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য।

এর আগে বাংলাদেশের যে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যগুলি ইউনেস্কো হেরিটেজ লিস্টে নথিভুক্ত হয়েছে সেগুলি হল –  ১) জামদানি, ২) শীতল পাটি তাঁতশিল্প,৩) বাউল গান এবং ৪) মঙ্গোল শোভাযাত্রা।

“রিকশা হল তিনটি চাকার একটি মানব-চালিত পরিবহন এবং এটি সমগ্র ঢাকা ও বাংলাদেশের একটি স্বীকৃত বৈশিষ্ট্য। রিকশার কারুশিল্প তার ঐতিহ্যবাহী প্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত সুপরিচিত হয়েছে এবং এটি হাতে তৈরি করার হয় । বাংলাদেশে, প্রায় প্রতিটি অংশ রিকশা সাজানো এবং আঁকা হয়,” ইউনেস্কো একটি বিবৃতিতে বলেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *