মহিলা সংরক্ষণ বিল (নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম ), লোকসভা এবং রাজ্য বিধানসভাগুলিতে মহিলাদের ৩৩% আসন দেওয়ার জন্য, লোকসভায় পাস হয়ে গেলো। ৪৫৪ সংসদ সদস্য বিলটির পক্ষে ভোট দিয়েছেন এবং ২ জন সংসদ সদস্য এর বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন।

বিলটি পাশ হওয়ার সময় সংসদে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় বলেছেন যে এই অভূতপূর্ব সমর্থনে বিলটি পাস হতে দেখে তিনি খুশি। আমি সকল দলের সাংসদদের ধন্যবাদ জানাই যারা এই বিলের সমর্থনে ভোট দিয়েছেন। নারী শক্তি বন্দন আইন একটি যুগান্তকারী আইন যা নারীর ক্ষমতায়নকে আরও উন্নীত করবে এবং আমাদের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় নারীদের আরও বেশি অংশগ্রহণ করতে সক্ষম করবে।”

বিজেপি ও তার সহযোগী দল ছাড়াও বিরোধী কংগ্রেস, এসপি, ডিএমকে, তৃণমূল কংগ্রেস সহ হাউসের সমস্ত বিরোধী দল বিলটিকে সমর্থন করেছে কিন্তু আসাদউদ্দিন ওয়াইসির নেতৃত্বাধীন অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমীন (এআইএমআইএম) বিলটির বিরোধিতা করেছে। এআইএমআইএম-এর হাউসে ওয়াইসি সহ দুই সদস্য রয়েছেন যারা এই বিলের বিরুদ্ধে ভোট করেছে।

বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে আলোচনা হবে। রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড় এ কথা ঘোষণা করেন।

বিলের টাইমলাইন:

  • ১৯৯৬ : ইউপিএ সরকার কর্তৃক লোকসভায় বিল পেশ করা হয়। লোকসভায় অনুমোদন পেতে ব্যর্থ হওয়ায় এটি গীতা মুখোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে একটি যৌথ সংসদীয় কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছিল।
  • ১৯৯৬: গীতা মুখার্জির সভাপতিত্বে কমিটির রিপোর্ট ৯ ডিসেম্বর, ১৯৯৬-এ নিম্নকক্ষে পেশ করা হয়।
  • ১৯৯৮: অটল বিহারী বাজপেয়ীর এনডিএ সরকার বিলটি পুনরায় নিয়ে আসে ।
  • ১৯৯৯: ১৩ তম লোকসভা অধিবেশনে এনডিএ সরকার বিলটি পুনরায় পেশ করে।
  • ২০০৩: বিল পুনরায় নিয়ে আসা হয় ।
  • ২০০৮: কংগ্রেসের নেতৃত্বে ইউপিএ-১ সরকার ২০০৮ সালের মে মাসে বিলটি আবার নিয়ে আসে কিন্তু বিলটি পাস না হয়ে স্থায়ী কমিটির কাছে রেফার হয়ে যায় ।
  • ২০১০: রাজ্য সভায় পাস হয় এবং অবশেষে লোকসভায় পাঠানো হয়।লোকসভায় বিলটি পেস করা হয় না।
  • ২০২৩: লোকসভায় নারী সংরক্ষণ বিল পাস হয় ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *