মঙ্গলবার ফিনান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, ভারত সরকার কানাডাকে দেশ থেকে কয়েক ডজন কূটনীতিককে প্রত্যাহার করতে বলেছে। অটোয়াকে নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে ১০ অক্টোবরের মধ্যে প্রায় ৪০ জন কূটনীতিককে কানাডায় ফেরাতে হবে রিপোর্টে এমনই প্রকাশিত।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো সম্প্রতি খালিস্তানি সন্ত্রাসী হরদীপ সিং নিজ্জার হত্যার পিছনে ভারত সরকার থাকতে পারে বলে অভিযোগ করেন। এরপর নয়াদিল্লি এবং অটোয়ার মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে । ভারত ও ইন্টারপোলের একজন ঘোষিত সন্ত্রাসবাদী নিজ্জারকে ১৮ই জুন কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার একটি গুরুদ্বারের বাইরে পার্কিং লটে গুলি করে হত্যা করে কিছু অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি।

নিজের দেশেই প্রচন্ড চাপে রয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। কানাডিয়ান সংসদে দাঁড়িয়ে ভারতের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার পর এ বিষয়ে কানাডার সহযোগী দেশগুলির সাথ পাননি ট্রুডো। শুধু বাইরে নয় ঘরেও পার্লামেন্টে বিরোধী দলগুলির কাছ থেকে হেনস্তা হতে হয়েছে তাকে। সামনেই কানাডা পার্লামেন্টের ভোট। তাই ঘরে বাইরে প্রচন্ড চাপের মধ্যে পড়ে সুর নরম করতে হয়েছে জাস্টিন ট্রুডোকে। এখন মাঝে মাঝেই তার গলায় ভারত বন্দনা শোনা যাচ্ছে। তিনি শক্তিধর ভারতকে পাশে চাইছেন বিভিন্ন ক্ষেত্রে।

ঠিক সেই পরিস্থিতিতেই ভারতের এই ঘোষণা আবার চাপে ফেলে দিল জাস্টিন ট্রুডোকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *